পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা অনেকসময় ভুল করি, আবার কখনও কখনও যারা আমাদের ঘনিষ্ঠ তাদের প্রয়োজন সম্পর্কে অমনযোগী হয়ে উঠি। এতে হতাসা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। হতাশাকে দূর করতে হলে অপরকে বোঝাবার চেষ্টা করা উচিত
মানুষের মধ্যে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার কারণ হল মানুষ পরস্পরকে বুঝতে চায়। পারস্পরিক সহানুভূতিই সমস্ত সম্পর্কের ভিত্তি।
অপরের প্রতি বিশেষ আগ্রহশীল হলে এবং তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে যে পরিতৃপ্তি পাওয়া যায় সেটা কেবল একজন ভালমানুষ হলে পাওয়া যায় না। অপরের প্রতি আগ্রহী ও যত্নশীল ব্যক্তি এমন একটা সুনাম সৃষ্টি করেন যে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।এবং এতে তার কিছু খরচা হয় না।
কিছু কিছু মানুষ মনে করেন অর্থ মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়ার এবং যত্ন ও আগ্রহের সম্পর্কের প্রতিকল্প। কিন্তু মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক অর্থের থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অপরকে যথার্থ রূপে বুঝতে পারলেই নিজেকে অপরের নিকট বোঝানো যায় এবং এই বোধ পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
ঔদার্য অনুশীলন করুন:-
ঔদার্য ভাবগত পরিপক্কতার লক্ষন।চিন্তাশীল ও বিবেচক ব্যক্তিরাই উদার হতে পারেন। উদার ব্যক্তিরা জীবনের ঐশ্বর্য উপভোগ করতে পারেন,যা একজন স্বার্থপর ব্যক্তির কল্পনার বাইরে।
বিবেচক হন:-
স্বার্থপরতা প্রতিহিংসা আহ্বান করে। অপরের অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীল হোন।
কৌশলী হোন:
যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই কৌশল প্রয়োজন। "কৌশল" এর অর্থ হচ্ছে অন্যদের সহানুভূতি না হারিয়ে নিজের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করা।
দয়ালু হন:-
টাকা দিয়ে একটি ভালো কুকুর কিনতে পারেন কিন্তু তার প্রতি দয়া না দেখালে সে লেজ নাড়বে না। অপরের প্রতি করুণা প্রদর্শনে দেরি করা উচিত নয়। করুণা এমন একটি ভাষা যা বধিরও শুনতে পায়,অন্ধ ও দেখতে পারেন। জীবনবস্থায় একজন বন্ধুকে করুণা দেখানো প্রয়োজন, মৃত্যুর পর তার সন্মানে ফুল দিয়ে করুণা দেখানো অর্থহীন।কোনও দয়ার কাজ গ্রহণকারীকে প্রফুল্ল করে। সহৃদয় কথাবার্তায় জিহ্বা আহত হয় না।
মানুষের মধ্যে যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার কারণ হল মানুষ পরস্পরকে বুঝতে চায়। পারস্পরিক সহানুভূতিই সমস্ত সম্পর্কের ভিত্তি।
অপরের প্রতি বিশেষ আগ্রহশীল হলে এবং তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে যে পরিতৃপ্তি পাওয়া যায় সেটা কেবল একজন ভালমানুষ হলে পাওয়া যায় না। অপরের প্রতি আগ্রহী ও যত্নশীল ব্যক্তি এমন একটা সুনাম সৃষ্টি করেন যে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।এবং এতে তার কিছু খরচা হয় না।
কিছু কিছু মানুষ মনে করেন অর্থ মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়ার এবং যত্ন ও আগ্রহের সম্পর্কের প্রতিকল্প। কিন্তু মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক অর্থের থেকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অপরকে যথার্থ রূপে বুঝতে পারলেই নিজেকে অপরের নিকট বোঝানো যায় এবং এই বোধ পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
ঔদার্য অনুশীলন করুন:-
ঔদার্য ভাবগত পরিপক্কতার লক্ষন।চিন্তাশীল ও বিবেচক ব্যক্তিরাই উদার হতে পারেন। উদার ব্যক্তিরা জীবনের ঐশ্বর্য উপভোগ করতে পারেন,যা একজন স্বার্থপর ব্যক্তির কল্পনার বাইরে।
বিবেচক হন:-
স্বার্থপরতা প্রতিহিংসা আহ্বান করে। অপরের অনুভূতির প্রতি সংবেদনশীল হোন।
কৌশলী হোন:
যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই কৌশল প্রয়োজন। "কৌশল" এর অর্থ হচ্ছে অন্যদের সহানুভূতি না হারিয়ে নিজের বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করা।
দয়ালু হন:-
টাকা দিয়ে একটি ভালো কুকুর কিনতে পারেন কিন্তু তার প্রতি দয়া না দেখালে সে লেজ নাড়বে না। অপরের প্রতি করুণা প্রদর্শনে দেরি করা উচিত নয়। করুণা এমন একটি ভাষা যা বধিরও শুনতে পায়,অন্ধ ও দেখতে পারেন। জীবনবস্থায় একজন বন্ধুকে করুণা দেখানো প্রয়োজন, মৃত্যুর পর তার সন্মানে ফুল দিয়ে করুণা দেখানো অর্থহীন।কোনও দয়ার কাজ গ্রহণকারীকে প্রফুল্ল করে। সহৃদয় কথাবার্তায় জিহ্বা আহত হয় না।

0 टिप्पणियाँ